বিশ্বজুড়ে বাথটাবে যতো মৃত্যুর ঘটনা!

147

শনিবার রাতে দুবাইয়ে একটি পারিবারিক অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়ে আকস্মিকভাবে মারা যান বলিউডের কিংবদন্তি অভিনেত্রী শ্রীদেবী। এরপর সোমবার বিকেলে দুবাই পুলিশ জানায়, দুবাইয়ের জুমেইরাহ এমিরেটস টাওয়ার্স নামে যে হোটেলে শ্রীদেবী ছিলেন, তার রুমের বাথটাবের পানিতে ডুবে মৃত্যু হয়েছে তার। বলিউডে কোনো তারকার বাথটাবে মৃত্যুর ঘটনা এটাই প্রথম। তবে হলিউডে অনেক সেলিব্রিটিরই মৃত্যু হয়েছে বাথরুম তথা বাথটাবে।

বিশ্বজুড়ে বাথটবে মৃত্যুর ঘটনাও রয়েছে অনেক। আমেরিকায় গড়ে প্রতিদিন একটি করে বাথটাবে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে। ‘জার্নাল অব জেনারেল অ্যান্ড ফ্যামিলি মেডিসিনা’–এ প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, জাপানে বছরে বাথরুমে মৃত্যুর ঘটনা ঘটে ১৯ হাজারের মতো। এমন বেশিরভাগ মৃত্যুর কারণ হলো অত্যধিক মদ্যপান বা ড্রাগ নেওয়া।

বাথটাব বা বাথরুমে মৃত অবস্থায় পাওয়া গেছে এমন হলিউড তারকার সংখ্যাও অনেক। ‘কিল মি ডেডলি’র তারকা অ্যালবার্ট ডেকার, গায়ক জিম মরিসন, অভিনেত্রী জুডি গারল্যান্ডের নামও রয়েছে এই তালিকায়। আর এক্ষেত্রে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য নাম হলো ‘রক অ্যান্ড রোল’–এর কিংবদন্তী গায়ক এলভিস প্রেসলি। বাথরুমে মৃত অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিল তাকে। প্রথমে তার মৃত্যুর কারণ হৃদরোগ বলা হলেও পরে জানা যায়, আসলে ১০টি নিষিদ্ধ ওষুধ বেশি সেবনের কারণে তার মৃত্যু হয়েছিল।

কাজেই মাত্র দেড় ফুট গভীরতার বাথটবে পড়ে মৃত্যু সম্ভব কিনা- শ্রীদেবীর মৃত্যুর পর এ প্রশ্ন উঠলেও দুনিয়াজুড়েই এমন মৃত্যুর অনেক নজির রয়েছে। আমেরিকায় অনেক শিশুর মৃত্যু হয় বাথটাবের কারণে। ফলে এমন মৃত্যু রোখার উপায় খুঁজছেন মার্কিনিরা।

তাই বাথটাব বা বাথরুমে মৃত্যু অস্বাভাবিক কোনো ঘটনা নয়। বরং বিশ্বে এই ধরনের মৃত্যুর সংখ্যা ক্রমশ বৃদ্ধি পাচ্ছে। চিকিৎসা বিজ্ঞানীদের কাছেও এমন মৃত্যু রোখা বড় ধরনের চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে।

বাথটাবে মৃত্যুর তালিকায় রয়েছেন বিখ্যাত গায়ক জিম মরিসনও। তার মৃত্যুর ঘটনাটা খুবই অদ্ভুত। প্যারিসের একটি অ্যাপার্টমেন্টের বাথটাবে জিম ও তার বান্ধবীকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। চিকিৎসকরা জিমের মরদেহ পরীক্ষা করে অস্বাভাবিক কিছু খুঁজে পাননি। সে কারণে ময়নাতদন্ত করা হয়নি তার। সূত্র: এনডিটিভি ও জিনিউজ।